সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সচিত্র সিলেট-এর প্রকাশক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেছেন- সংবাদপত্র ও গণমাধ্যম হলো সমাজের আয়না এবং গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ। আর এই স্তম্ভের প্রাণবিন্দু হলো পেশাদার সাংবাদিকসমাজ। কোনো একটি অঞ্চলের ইতিবাচক পরিবর্তন, অন্যায়-অসংগতির চিত্র তুলে ধরা এবং সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে আপনারা যে সাহসী ভূমিকা পালন করেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আমাদের ঐতিহ্যবাহী গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাবও শুরু থেকে সেই ধারা অব্যাহত রেখেছে। আমাদের প্রত্যাশা- নতুন নেতৃত্ব এ ক্লাবের কার্যক্রম আরও বেগবান এবং ঐক্যবদ্ধভাবে স্থানীয় সকল সাংবাদিকের স্বার্থরক্ষায় কাজ করবেন।
তিনি আরও বলেনা- একটি সুস্থ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন যেমন সুন্দর গণতন্ত্রচর্চার পূর্বশর্ত, তেমনি আজ আপনারা আপনাদের ক্লাবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও প্রচারণা যার যার জায়গায় থাকলেও, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আপনাদের মাঝে যে সৌহার্দ্য ও আনন্দময় পরিবেশ ফুটে উঠেছে, তা অত্যন্ত প্রীত হওয়ার মতো। জয়-পরাজয় এই প্রক্রিয়ারই একটি স্বাভাবিক অংশ, কিন্তু সবচেয়ে বড় বিষয় হলো আপনাদের এই পারস্পরিক ঐক্য ও পেশাগত ভ্রাতৃত্ববোধ। আমি বিশ্বাস করি, আজকের এই নির্বাচনের মাধ্যমে যারা নতুন নেতৃত্ব হিসেবে নির্বাচিত হবেন, তারা প্রেসক্লাবের ঐতিহ্য ধরে রেখে সাংবাদিকদের কল্যাণ, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা বিকাশে নতুন গতি আনবেন। একই সাথে, যারা বিজয়ী হবেন না, তারাও পূর্বের মতোই একতাবদ্ধ হয়ে প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে পাশে থাকবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাবের নির্বাচন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সামনে এসব কথা বলেন এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী।
নির্বাচন পরিদর্শনকালে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।