1. live@www.dailyshahjalalerdak.com : দৈনিক শাহজালালের ডাক : দৈনিক শাহজালালের ডাক
  2. info@www.dailyshahjalalerdak.com : দৈনিক শাহজালালের ডাক :
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এনায়েত উল্লাাহ আব্বাসী’র মানহানিকর বক্তব্য ও সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদে সিসকপ’র মানববন্ধন!  সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় সেনাবাহিনীর নতুন মার্কেটে আমায়রা ফ্যাশনের উদ্বোধন পূজার আনন্দে সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে গোলাপগঞ্জে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ টঙ্গী বাজার মন্দির পরিদর্শন করেন সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ,ও শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় এসএমপিতে পদোন্নতিপ্রাপ্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে র‍্যাংক ব্যাজ পরালেন কমিশনার ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ ওঠায় বহিষ্কার, পরবর্তী আবারও শিক্ষকের বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন? এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের অভিযানে ভারতীয় পণ্য সহ ০৪(চার) জন গ্রেফতার ইসলামী রাজনীতির মূল ভিত্তিই হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল কাদির সালেহ সিলেট-৪ আসনের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীকে নিয়ে ফেইসবুক ষ্টেটাস অত:পর আটক শিক্ষাবিদ বিরাজ মাধব চক্রবর্তীর রোগমুক্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত

সিলেট সদর উপজেলায় মাদকের ভয়াবহ বিস্তার, জাহাঙ্গীরনগরে সেলিম-বেগম দম্পতির সিন্ডিকেটের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে




স্টাফ রিপোর্টার: সিলেট সদর উপজেলায় মাদকের ভয়াবহ বিস্তার ও অবাধ বেচাকেনার প্রসঙ্গ উঠলেই সবার আগে নাম আসে ৬ নম্বর টুকেরবাজার ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের। ভৌগোলিক অবস্থান ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে এই ওয়ার্ডের জাহাঙ্গীরনগর এলাকাটি বর্তমানে সমগ্র সদর উপজেলার অন্যতম প্রধান ‘মাদকের হাটে’ পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বাহ্যিকভাবে সাধারণ বাসাবাড়ি কিংবা ভাড়াটিয়া ঘর মনে হলেও, অনুসন্ধানে জানা গেছে, জাহাঙ্গীরনগর এলাকায় প্রতিদিন গড়ে লাখ লাখ টাকার মাদকের কেনাবেচা চলছে। আর এই বিশাল অপরাধ সাম্রাজ্য নিয়ন্ত্রণ করছে চিহ্নিত অপরাধী মো. সেলিম ও তাঁর স্ত্রী বেগম দম্পতির নেতৃত্বাধীন একটি প্রভাবশালী মাদক সিন্ডিকেট—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয় সূত্র ও অনুসন্ধানে জানা যায়, জাহাঙ্গীরনগরের এই মাদক সিন্ডিকেটের মূল চালিকাশক্তি মো. সেলিম ও তাঁর স্ত্রী বেগম। প্রাথমিকভাবে গাঁজার খুচরা ব্যবসা দিয়ে শুরু করলেও পরবর্তীতে সীমান্ত রুট ব্যবহার করে ইয়াবা ট্যাবলেট ও ফেনসিডিলের বড় বড় চালান আনতে শুরু করেন সেলিম-বেগম দম্পতি—এমন অভিযোগ রয়েছে।

অল্প দিনেই মাদকের এই বিষাক্ত কারবার চালিয়ে দম্পতিটি শূন্য থেকে লাখপতি বনে গেছেন বলেও দাবি স্থানীয়দের। নারী হওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে বেগম অত্যন্ত সুকৌশলে স্থানীয় কিছু তরুণ-যুবকের সহায়তায় আড়ালে থেকে মাদকের পাইকারি ও খুচরা সরবরাহ নিশ্চিত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, মাদকের মরণনেশায় জড়িয়ে এলাকার অনেক পরিবার আজ নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। ধ্বংস হচ্ছে উদীয়মান তরুণ ও যুবসমাজ। অন্যদিকে, এই চিহ্নিত মাদক কারবারি দম্পতি দিন দিন বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হয়ে উঠছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত মাদক কারবারি বেগমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার না করে বলেন, “নিউজ করার দরকার নেই, সিনিয়রদের সঙ্গে নিয়ে বিষয়টি সমাধান করব।” এ কথা বলেই তিনি কল কেটে দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ৬ নম্বর টুকেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মো. হাবিজ জানান, জাহাঙ্গীরনগর এলাকায় মাদকের বিচরণ বাড়ার বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগের। তারা স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সমাজকে সচেতন করার চেষ্টা করেছেন। তবে চিহ্নিত মাদক কারবারিদের অপতৎপরতা চিরতরে বন্ধ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জোরদার ও ধারাবাহিক অভিযান অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সিলেট এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুর রহমান জানান, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। কোনো এলাকাকেই মাদকের নিরাপদ আস্তানা হতে দেওয়া হবে না। তাঁর থানাধীন এলাকাগুলোর মাদক সিন্ডিকেট ও এর সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট